যষ্টিমধু (Josthimodhu 250 gm)
১০০% খাঁটি | প্রাকৃতিক ও পুষ্টিকর
আঁখের গুড়ের গুঁড়া – সাদা চিনির স্বাস্থ্যকর বিকল্প। আখের রস ফুটিয়ে তৈরি, কোনো কেমিক্যাল বা প্রক্রিয়াজাত নয়।
- আয়রন সমৃদ্ধ – রক্তাল্পতা দূর করে শক্তি বাড়ায়
- পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম – রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, হাড় মজবুত রাখে
- অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট – প্রদাহ কমায়, কোষ রক্ষা করে
- হজমশক্তি বাড়ায় – অম্বল, গ্যাস ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে</li>
- GI কম – রক্তে শর্করা ধীরে বাড়ে
দিনে ১–২ চা চামচ চা, দুধ, শরবত বা খাবারে মিশিয়ে খান। প্রাকৃতিক মিষ্টি ও পুষ্টির জন্য এখনই অর্ডার করুন!
465.00৳
In Stock
In Stock
আপনি কি জানেন যষ্টিমধু কতটা গুণাবলীসম্পন্ন একটি ঔষধি গাছ? আপনার স্বাস্থ্যের জন্য এটি হতে পারে এক অনন্য উপহার। এটি কেবল ব্যথা কমাতে সাহায্য করে না, বরং আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়। যদি আপনি চান আপনার দৈনন্দিন জীবনে প্রাকৃতিক উপায়ে সুস্থতা বজায় রাখতে, তাহলে এই গাছটি সম্পর্কে জানা আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চলুন, জানি কীভাবে এটি আপনার জীবন বদলে দিতে পারে।
যষ্টিমধু কী?
একটি গাছ যা বহু শতাব্দী ধরে ব্যবহার করা হয়। এটি প্রাকৃতিক ঔষধি গুণাবলী নিয়ে পরিচিত। এর বিভিন্ন অংশ থেকে নানা ধরনের ওষুধ তৈরি করা হয়। দেহের বিভিন্ন সমস্যা সারাতে এর ব্যবহার জনপ্রিয়।
যষ্টিমধু একটি গাছ যার বৈজ্ঞানিক নাম Glycyrrhiza glabra। এটি মূলত এশিয়া ও ইউরোপের কিছু অংশে পাওয়া যায়। গাছটির মূল অংশ থেকে মিষ্টি স্বাদের একটি পদার্থ তৈরি হয়। এই পদার্থকে যষ্টিমধু বলে।
এটি মধুর মতো মিষ্টি হলেও এটি প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে বেশি পরিচিত। এটি বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় সাহায্য করে। গলা ব্যথা, কাশি, পেটের সমস্যা ইত্যাদিতে ব্যবহার হয়।
উৎপত্তি অঞ্চল
- ভারত – প্রধান উৎপাদনকারী দেশ।
- শ্রীলঙ্কা – গাছের প্রাকৃতিক বসবাস।
- মায়ানমার – গাছের জন্য উপযোগী পরিবেশ।
- চীন – যষ্টিমধুর চাষ বাড়ছে।
গাছ থেকে সংগ্রহ প্রক্রিয়া
গাছের ডাল ও গুঁড়ো থেকে যষ্টিমধু সংগ্রহ করা হয়।
প্রথমে গাছের অংশগুলি কাটা হয়। তারপর তা শুকানো হয়। শুকানোর পরে গুঁড়ো তৈরি করা হয়।
এই প্রক্রিয়া খুবই সতর্কতার সঙ্গে করা হয় যাতে গুণগত মান বজায় থাকে।
যষ্টিমধু খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা
একটি প্রাকৃতিক ঔষধি গাছ। এটি অনেক রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। প্রাচীনকাল থেকে বিভিন্ন দেশে এই গাছের পাতা, ডাল, এবং মূল ব্যবহার করা হয়। এর অনেক উপকারিতা আছে, তবে কিছু অপকারিতাও থাকতে পারে। তাই এই গাছ খাওয়ার আগে কিছু বিষয় জানা জরুরি।
উপকারিতা
যষ্টিমধু স্বাস্থ্যরক্ষায় অনেক সাহায্য করে। এর মধ্যে কিছু হলো:
- দেহে প্রদাহ কমায়। এর উপাদানগুলো শরীরের জ্বালা এবং ফোলা কমাতে সাহায্য করে।
- শ্বাসকষ্ট ও কাশি কমায়। শ্বাসনালী পরিষ্কার রাখতে এটি কাজে লাগে।
- পাচনতন্ত্র সুস্থ রাখে। খাবার হজমে সাহায্য করে এবং পেটের সমস্যা কমায়।
- ত্বকের সমস্যা দূর করে। এটি ত্বক পরিষ্কার ও কোমল রাখে।
- রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। রক্তচাপ স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক।
যষ্টিমধুর অপকারিতা
সাধারণত নিরাপদ হলেও কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।
- অতিরিক্ত ব্যবহার করলে পেট খারাপ হতে পারে। যেমন পেট ব্যথা বা ডায়রিয়া।
- গর্ভবতী নারীদের জন্য সাবধানতা জরুরি। গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
- কিছু মানুষের অ্যালার্জি হতে পারে। ত্বকে লালচে দাগ বা ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে।
- অন্য ওষুধের সাথে মিশে সমস্যা হতে পারে। ওষুধ খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া ভাল।
যষ্টিমধু কীভাবে খেতে হয়?
যষ্টিমধু খাওয়ার কয়েকটি সাধারণ পদ্ধতি:
- গরম পানিতে যষ্টিমধুর শুকনো টুকরা বা পাতা ভাসিয়ে রেখে পান করুন।
- যষ্টিমধুর গুঁড়ো ও মধু মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।
- অতিরিক্ত পরিমাণ না খাওয়া উচিত। দিনে ১-২ গ্রাম যথেষ্ট।
- ডাক্তার বা হার্বাল বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করুন।
ঔষধি গুণাবলী
যষ্টিমধু একটি প্রাচীন ঔষধি গাছ। এটি বহু রোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। এই গাছের বিভিন্ন অংশ থেকে ঔষধ তৈরি হয়। যষ্টিমধুর গুণাবলী অনেক। তাই এটি Ayurveda এবং প্রচলিত চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ।
শ্বাসকষ্ট ও কাশি কমায়
যষ্টিমধু ফুসফুসের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। এটি কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। গাছের রস শ্বাসনালী পরিষ্কার করে। তাই শ্বাসপ্রশ্বাস সহজ হয়।
পাচনতন্ত্রের সমস্যা দূর করে
যষ্টিমধু পেটের রোগ যেমন আমাশয়, বদহজম, এবং গ্যাস কমায়। এটি পেটের ব্যথা প্রশমনে কার্যকর। নিয়মিত ব্যবহার হজম শক্তি বাড়ায়।
ত্বকের জন্য উপকারী
ত্বকের নানা সমস্যায় যষ্টিমধু ব্যবহৃত হয়। এটি দাগ ও র্যাশ কমায়। ত্বক পরিষ্কার ও উজ্জ্বল করে।
শরীরের প্রদাহ কমায়
যষ্টিমধু শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এটি ব্যথা ও ফোলা কমায়। নানা ধরনের প্রদাহজনিত রোগে উপকারী।
রক্তশোধক হিসেবে কাজ করে
যষ্টিমধু রক্ত পরিষ্কার ও শুদ্ধ করে। এটি ত্বক ভালো রাখে এবং শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে।
প্রাচীন চিকিৎসায় ব্যবহার
যষ্টিমধু হলো একটি প্রাচীন ঔষধি গাছ। এটি বহু শতাব্দী ধরে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার হয়েছে। প্রাচীন চিকিৎসকরা এর গুণাগুণ খুবই মূল্যায়ন করতেন। যষ্টিমধুর মূল এবং গুঁড়ো থেকে তৈরি ঔষধ অনেক ধরনের শারীরিক সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। এটি বিশেষ করে পেটের অসুখ, জ্বর, এবং প্রদাহ কমাতে ব্যবহৃত হয়।
পাচনতন্ত্রের সমস্যা সমাধানে যষ্টিমধু
পেটের ব্যথা এবং অজির্ন কমাতে যষ্টিমধু খুবই কার্যকর। এটি পাচনতন্ত্রকে শক্তিশালী করে।
পেট ফাঁপা, গ্যাস, এবং বদহজমের জন্য যষ্টিমধু অনেক সময় ব্যবহৃত হয়।
জ্বর এবং প্রদাহ কমাতে যষ্টিমধু
এতে আছে প্রাকৃতিক প্রদাহরোধী উপাদান। তাই এটি জ্বর নামাতে সাহায্য করে।
সর্দি, কাশি, এবং শ্বাসকষ্টের উপসর্গ কমাতে এই গাছের ব্যবহার প্রচলিত ছিল।
ত্বকের জন্য ব্যবহার
ত্বকের প্রদাহ এবং ফোস্কা কমাতে যষ্টিমধু ব্যবহার করা হয়।
আধুনিক চিকিৎসায় ভূমিকা
যষ্টিমধু হলো একটি প্রাকৃতিক ঔষধি গাছ। এর ব্যবহার অনেক বছর ধরে চলছে। আজকের আধুনিক চিকিৎসায় এর গুরুত্ব বেড়েছে।
চিকিৎসা ক্ষেত্রে যষ্টিমধু নানা রোগের প্রতিরোধে সাহায্য করে। এটি শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
যষ্টিমধুর উপাদান
যষ্টিমধু গাছে রয়েছে অনেক উপকারী উপাদান। এর মধ্যে আছে:
- অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা কোষকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।
- অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা ব্যাকটেরিয়া মারতে সাহায্য করে।
- ফ্ল্যাভোনয়েড যা প্রদাহ কমায়।
বৈজ্ঞানিক গবেষণায় যষ্টিমধু
বিভিন্ন পরীক্ষা প্রমাণ করেছে, এটি অনেক রোগের বিরুদ্ধে কার্যকর।
| গবেষণা বিষয় | ফলাফল |
|---|---|
| ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ | রক্তে শর্করার মাত্রা কমায় |
| অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রভাব | শরীরের প্রদাহ কমায় |
| হৃদরোগ প্রতিরোধ | হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্য উন্নত করে |
যষ্টিমধু খাওয়ার নিয়ম
যষ্টিমধু একটি প্রাকৃতিক ঔষধি উপাদান। এটি বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে। বহু বছর ধরে মানুষ এটি ব্যবহার করে আসছে। এর গুণাগুণ অনেক। তাই এর সঠিক ব্যবহার খুব জরুরি।
সঠিক মাত্রা নির্বাচন
প্রতিদিন ৫ থেকে ১০ গ্রাম যষ্টিমধু গ্রহণ করা ভালো। বেশি পরিমাণে খেলে পেটের সমস্যা হতে পারে। শিশুরা এবং বয়স্কদের জন্য ডাক্তারের পরামর্শ জরুরি।
খাওয়ার সময়
খালি পেটে সকালে বা রাতে খাওয়া উত্তম। খাবারের সাথে নিলে হজমে সমস্যা হতে পারে। নিয়মিত খেলে ফল ভালো পাওয়া যায়।
যষ্টিমধুর সাথে মিশ্রণ
সাধারণত গরম জল বা দুধের সাথে মিশিয়ে খাওয়া হয়।
- গরম জল মিশিয়ে খেলে দ্রুত শোষণ হয়।
- দুধের সাথে খেলে শক্তি বাড়ায়।
- মধু মিশিয়ে স্বাদ বাড়ানো যায়।
যষ্টিমধু খেলে কি কন্ঠ সুন্দর হয়?
এটি একটি প্রাকৃতিক উপাদান, যা অনেক মানুষ গলার যত্নে ব্যবহার করে। এটি গলার সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। গলায় স্বস্তি দেয় এবং কন্ঠের গুণগত মান উন্নত করতে পারে। যষ্টিমধু নিয়মিত খেলে গলা সুস্থ থাকে।
যষ্টিমধুর গুণাগুণ
প্রধানত গলার ব্যথা ও কাশি কমাতে ব্যবহৃত হয়। এটি প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। গলা পরিষ্কার রাখে এবং শ্বাসপ্রশ্বাস সহজ করে।
- প্রাকৃতিক প্রদাহ-নাশক
- কফ কমায়
- গলা মসৃণ করে
- শ্বাসনালী স্বাস্থ্য বজায় রাখে
কিভাবে কন্ঠ উন্নত করে?
গলা মসৃণ করে এবং কন্ঠে ঝনঝনানি আনে। এটি গলা থেকে অতিরিক্ত শ্লেষ্মা সরায়। গলার পেশি শক্ত করে কন্ঠ স্বচ্ছ ও পরিষ্কার হয়।
গলা সুস্থ থাকলে কন্ঠের সুর ভালো হয়। নিয়মিত খেলে গলা শক্ত ও নমনীয় হয়। এর ফলে কন্ঠ সুন্দর শোনায়।
কিভাবে ব্যবহার করবেন?
| ব্যবহার পদ্ধতি | বর্ণনা |
|---|---|
| গরম পানিতে মিশিয়ে খাওয়া | এক চামচ যষ্টিমধু গরম পানিতে মিশিয়ে দিনে দুইবার পান করুন। |
| মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া | যষ্টিমধু ও মধু মিশিয়ে খেলে গলা আরো ভালো থাকে। |
খাওয়ার সময় সাবধানতা
সাধারণত নিরাপদ। তবে বেশি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
- ডায়াবেটিস থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
- অ্যালার্জি হলে ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
- বাচ্চাদের জন্য ডোজ কম রাখুন।
Pusti & Pure এর যষ্টিমধু কেন অন্যদের চেয়ে আলাদা?
১০০% খাঁটি ও প্রাকৃতিক উপাদান
আমাদের যষ্টিমধুতে কোনো কৃত্রিম রঙ, ফ্লেভার বা ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না।
বাছাইকৃত প্রিমিয়াম কাঁচামাল
বিশ্বস্ত উৎস থেকে সংগ্রহ করা মানসম্মত যষ্টিমধু, যাতে থাকে আসল স্বাদ ও কার্যকারিতা।
স্বাস্থ্যসম্মত প্রক্রিয়াজাত ও সংরক্ষণ
পরিষ্কার ও নিরাপদ পদ্ধতিতে প্রস্তুত করা হয়, যাতে গুণাগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে।
প্রাকৃতিক উপকারিতায় সমৃদ্ধ
সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা উপশমে সহায়ক এবং হজম শক্তি উন্নত করতে কার্যকর।
বিশ্বাস ও মানের প্রতিশ্রুতি
গ্রাহকের আস্থা আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার, তাই প্রতিটি পণ্যে নিশ্চিত করা হয় মান ও বিশুদ্ধতা।
একটি প্রাকৃতিক হার্ব যা বহু রোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা কমায়। যষ্টিমধুর দুটি প্রধান ব্র্যান্ড হলো Pusti ও Pure যষ্টিমধু। এই দুইটির মধ্যে পার্থক্য বোঝা জরুরি।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
প্রশ্নঃ যষ্টিমধু কী এবং এর প্রধান ব্যবহার কী?
উঃ একটি প্রাকৃতিক ভেষজ উদ্ভিদ, যা ঔষধি গুণের জন্য সুপরিচিত। এটি গলার প্রদাহ, কাশি, শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা ও ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্নঃ যষ্টিমধু কীভাবে গলার প্রদাহ ও কাশি উপশম করে?
উঃ গলার প্রদাহ প্রশমিত করে, কণ্ঠনালী পরিষ্কার রাখে এবং কাশি কমাতে সহায়তা করে। এটি ব্রঙ্কাইটিসসহ শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত অসুখে বিশেষ উপকারী।
প্রশ্নঃ শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় যষ্টিমধু কীভাবে কাজ করে?
উঃ প্রাকৃতিক এক্সপেক্টোরেন্ট হিসেবে কাজ করে। এটি জমে থাকা কফ বের করতে সাহায্য করে এবং হাঁপানি ও দীর্ঘস্থায়ী কাশির উপসর্গ কমায়।
প্রশ্নঃ যষ্টিমধু কি ত্বকের জন্য উপকারী?
উঃ হ্যাঁ, যষ্টিমধুতে প্রদাহনাশক উপাদান রয়েছে। এটি ত্বকের জ্বালা কমায়, ব্রণ ও ক্ষত সারাতে সহায়তা করে এবং ত্বককে স্বাস্থ্যকর রাখতে সাহায্য করে।
প্রশ্নঃ যষ্টিমধু কোন কোন রূপে পাওয়া যায়?
উঃ সাধারণত গুঁড়া, ক্যাপসুল, সিরাপ ও কাঁচা শিকড় আকারে পাওয়া যায়। প্রয়োজন অনুযায়ী যে কোনো রূপ ব্যবহার করা যায়।
প্রশ্নঃ যষ্টিমধু কি প্রতিদিন খাওয়া নিরাপদ?
উঃ পরিমিত মাত্রায় এটি সাধারণত নিরাপদ। তবে দীর্ঘমেয়াদে বা বেশি মাত্রায় ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
প্রশ্নঃ কীভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়?
উঃ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। এটি সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং সর্দি, কাশি ও ফ্লুর ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
প্রশ্নঃ হজমে যষ্টিমধু কি কার্যকর?
উঃ হ্যাঁ, হজমশক্তি উন্নত করে, গ্যাস ও বদহজম কমায় এবং পেটের অস্বস্তি দূর করতে সহায়তা করে।
যষ্টিমধু স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। এটি প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে কাজ করে। নিয়মিত ব্যবহার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করে এবং সুস্থ রাখে। সহজে পাওয়া যায় এবং প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি। এটি ব্যবহার করে আপনি স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারেন। তাই দৈনন্দিন জীবনে এটি অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। সুস্থ জীবনযাপনের জন্য যষ্টিমধু একটি ভালো বিকল্প। আপনি একবার চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
Related Products
Ashwagandha Powder (অশ্বগন্ধা পাউডার)
১০০% খাঁটি | স্ট্রেস, অনিদ্রা ও দুর্বলতার প্রাকৃতিক সমাধান
- অশ্বগন্ধা পাউডার আধুনিক জীবনের চাপ, উদ্বেগ, ঘুমের সমস্যা ও শারীরিক দুর্বলতা দূর করতে সবচেয়ে কার্যকরী আয়ুর্বেদিক ভেষজ।
- কর্টিসল কমায়, মন শান্ত রাখে, গভীর ঘুম আনে।
- পুরুষের টেস্টোস্টেরন ও যৌন শক্তি বাড়ায়।
- মহিলাদের হরমোন ভারসাম্য রক্ষা করে।
- ইমিউনিটি ও স্মৃতিশক্তি উন্নত করে।
- কোনো কেমিক্যাল নেই।
স্ট্রেসমুক্ত, শক্তিশালী ও সুস্থ জীবনের জন্য এখনই অর্ডার করুন।
আখের গুড়ের গুঁড়া (Organic Jaggery Powder)
ঈদ অফার: ৩ কেজি অর্ডার করলে ২০০ টাকা ছাড় সাথে ডেলিভারি ফ্রি!
খাঁটি গ্রামীণ আখ থেকে তৈরি, ১০০% ন্যাচারাল, কোনো কেমিক্যাল ছাড়াই।
আজই অর্ডার করুন এবং পরিবারের জন্য সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর আখের গুড় উপভোগ করুন।
আঁখের গুড়ের গুঁড়া – সাদা চিনির স্বাস্থ্যকর বিকল্প। আখের রস ফুটিয়ে তৈরি, কোনো কেমিক্যাল বা প্রক্রিয়াজাত নয়।
- আয়রন সমৃদ্ধ – রক্তাল্পতা দূর করে শক্তি বাড়ায়
- পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম – রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, হাড় মজবুত রাখে
- অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট – প্রদাহ কমায়, কোষ রক্ষা করে
- হজমশক্তি বাড়ায় – অম্বল, গ্যাস ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
- GI কম – রক্তে শর্করা ধীরে বাড়ে
শরবত প্লাস
১০০% খাঁটি | স্ট্রেস, অনিদ্রা ও দুর্বলতার প্রাকৃতিক সমাধান
- অশ্বগন্ধা পাউডার আধুনিক জীবনের চাপ, উদ্বেগ, ঘুমের সমস্যা ও শারীরিক দুর্বলতা দূর করতে সবচেয়ে কার্যকরী আয়ুর্বেদিক ভেষজ।
- কর্টিসল কমায়, মন শান্ত রাখে, গভীর ঘুম আনে।
- পুরুষের টেস্টোস্টেরন ও যৌন শক্তি বাড়ায়।
- মহিলাদের হরমোন ভারসাম্য রক্ষা করে।
- ইমিউনিটি ও স্মৃতিশক্তি উন্নত করে।
- কোনো কেমিক্যাল নেই।
স্ট্রেসমুক্ত, শক্তিশালী ও সুস্থ জীবনের জন্য এখনই অর্ডার করুন।
শুক্রবর্ধক (Sperm Enhancer 200 gm)
শুক্রবর্ধক – প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে যৌন শক্তি ও স্বাস্থ্য উন্নত করুন
-
১০০% প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি
-
যৌন শক্তি বৃদ্ধি ও শুক্রাণু গাঢ় করতে সহায়ক
-
শারীরিক শক্তি ও স্ট্যামিনা উন্নত করে
-
হজম শক্তি বাড়ায় ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়
-
প্রাকৃতিকভাবে ইরেক্টাইল ডিসফাংশন (ED) চিকিৎসায় সহায়তা
-
নিয়মিত ব্যবহারে যৌন ক্ষমতা ও প্রজনন স্বাস্থ্য উন্নত করে
-
১-২ চা চামচ পরিমাণ পানি বা দুধের সাথে সকালে খালি পেটে খেতে হবে
-
৩-৪ সপ্তাহের মধ্যে ফলাফল দেখতে পারবেন, তবে ৬-৮ সপ্তাহ নিয়মিত ব্যবহার পরামর্শ
সতর্কতা:
-
গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মায়েরা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করবেন না
-
অ্যালার্জি বা পেটের সমস্যা থাকলে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
আজই অর্ডার করুন এবং শক্তি ও যৌন স্বাস্থ্য উন্নত করুন!
হিমালয়ান পিংক সল্ট (Himalayan Pink Salt 200 gm)
এলার্জি নিরাময় পাউডার – প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে এলার্জি সমস্যা সমাধান
- class="yoast-text-mark">class="yoast-text-mark">class="yoast-text-mark">class="yoast-text-mark">class="yoast-text-mark">class="yoast-text-mark">class="yoast-text-mark">class="yoast-text-mark">class="yoast-text-mark" data-sta="">
-
- class="yoast-text-mark">a-sta="">
- ="list-style-type: none;"><ul class="yoast-text-mark" data-sta="">rt="73" data-end="
- art="7
-
- sta="">
- <ul class="yoast-text-mark" data-sta="">3" data-end="106
- "107" data-end="168">a-s="">tart="109" data-end="168">ত্বকের র্যাশ, চুলকানি, একজিমা, হাঁচি, কাশি, শ্বাসকষ্ট কমায়
- a-start="73" data-end="106">
- ta-sta="">rt="169" data-
-
end="225"><p data-start="171" data-en
- d="225">শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা এবং হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে
- data-start="226">ta-end="276">
শরীরের প্রদাহ কমায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
-
গরম পানির সাথে ১-২ চা চামচ অথবা মধুর সাথে দিনে ১-২ বার গ্রহণ করুন
-
দীর্ঘমেয়াদী ফলাফল পেতে ১-৩ মাস নিয়মিত ব্যবহারের পরামর্শ
-
সাইড এফেক্ট মুক্ত, কেমিক্যাল বা প্রিজারভেটিভ নেই
সতর্কতা: গর্ভবতী বা শিশুর জন্য ব্যবহারের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে ভুলবেন না।
হুলবাহ (Hulbah 200 gm)
এলার্জি নিরাময় পাউডার – প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে এলার্জি সমস্যা সমাধান
-
১০০% প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি
-
ত্বকের র্যাশ, চুলকানি, একজিমা, হাঁচি, কাশি, শ্বাসকষ্ট কমায়
-
শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা এবং হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে
-
শরীরের প্রদাহ কমায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
-
নিয়মিত ব্যবহারে এলার্জির মূল কারণ কমায়
-
গরম পানির সাথে ১-২ চা চামচ অথবা মধুর সাথে দিনে ১-২ বার গ্রহণ করুন
-
দীর্ঘমেয়াদী ফলাফল পেতে ১-৩ মাস নিয়মিত ব্যবহারের পরামর্শ
-
সাইড এফেক্ট মুক্ত, কেমিক্যাল বা প্রিজারভেটিভ নেই
সতর্কতা: গর্ভবতী বা শিশুর জন্য ব্যবহারের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে ভুলবেন না।

Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.